১২ বছর বিরতির পর অনুষ্ঠিত জেআরসির বৈঠকে ঝুলে থাকা তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি দ্রুত সই করতে ভারতের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। জবাবে দিল্লির তরফে বরাবরের মতো সর্বাত্মক চেষ্টার আশ্বাস পেয়েছে ঢাকা। গত ২৩শে আগস্ট পানি সম্পদ সচিব পর্যায়ে এবং ২৫শে আগস্ট নয়াদিল্লিতে জেআরসির মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাক টু ব্যাক দু’টি বৈঠকেই তিস্তার পানি বন্টন নিয়ে আলোচনা হয়। রাতে ঢাকার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকদ্বয়ের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার জয়েন্ট রিভার কমিশন জেআরসি’ বৈঠকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এক যুগ ধরে ঝুলে থাকা তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি সইয়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়। এ অনুরোধের প্রেক্ষিতে চুক্তিটি সই করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে ভারত। আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত যাচ্ছেন, সেই সফরের প্রক্কালে অনুষ্ঠিত জেআরসির বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ভারতীয় আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়। সর্বশেষ ২০১০ সালে দুই দেশের মধ্যে এমন বৈঠক হয়েছিল জানিয়ে ঢাকার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। আর ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পানি সম্পদ মন্ত্রী গাজেন্দ্র সিং সিখাওয়াত।
অত্যন্ত আন্তরিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের পানিসম্পদ সংশ্লিষ্ট প্রায় সব বিষয়েই কমবেশি আলোচনা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের অভিন্ন নদী গঙ্গা, তিস্তা, মুন, মুহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধরলা, দুধ কুমার এবং কুশিয়ারা নদীর যাবতীয় বিষয় নিয়ে কথা হয়।












