শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে আজ। শুক্রবার সকালে ঝিনাইগাতীর মহারশী নদীর বাঁধ ভেঙে উপজেলা সদরসহ ৪টি ইউনিয়নের অন্তত ৪০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। শনিবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্র্যন্ত উপজেলার উঁচু স্থান থেকে পানি নেমে গেলেও নিম্নাঞ্চল এখনো প্লাবিত।
মূলত শুক্রবার বিকালের মধ্যে উপজেলা শহরসহ উঁচু স্থানগুলো থেকে পানি নেমে যায়। কিন্তু নিম্নাঞ্চলে পানি জমে সৃষ্টি হয়ে পানিবদ্ধতার। বিশেষ করে উপজেলার ভাটি এলাকার বগাডুবি, পাগলারমুখ, সুরিহারা, কালিনগর, বাঘেরভিটা, বনগাঁও তিনআনী, হাতিবান্ধা, মালঝিকান্ধাসহ অনেক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
গত দু সপ্তাহের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পাহাড়ি ঢলে আক্রান্ত হলো ঝিনাইগাতী উপজেলার এসব জনপদ। গত ঢলের পানিতে উপজেলার বিল ও জলাশয়গুলো পূর্ণ থাকায় এবারে পানি নামতে দেরি হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক আল মাসুদ জানিয়েছেন, গতকাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে বন্যা কবলিতদের মাঝে। জিআর চালের বরাদ্দও পাওয়া গেছে।
এই কর্মকর্তা আরো জানান, এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমান নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি। আমরা এলাকায় আছি এবং চেষ্টা করছি যাতে সঠিক ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করা এবং বন্যার্তদের কাছে সাহায্য সঠিক ভাবে পৌঁছানো যায়।
মূলত শুক্রবার বিকালের মধ্যে উপজেলা শহরসহ উঁচু স্থানগুলো থেকে পানি নেমে যায়। কিন্তু নিম্নাঞ্চলে পানি জমে সৃষ্টি হয়ে পানিবদ্ধতার। বিশেষ করে উপজেলার ভাটি এলাকার বগাডুবি, পাগলারমুখ, সুরিহারা, কালিনগর, বাঘেরভিটা, বনগাঁও তিনআনী, হাতিবান্ধা, মালঝিকান্ধাসহ অনেক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
গত দু সপ্তাহের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পাহাড়ি ঢলে আক্রান্ত হলো ঝিনাইগাতী উপজেলার এসব জনপদ। গত ঢলের পানিতে উপজেলার বিল ও জলাশয়গুলো পূর্ণ থাকায় এবারে পানি নামতে দেরি হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক আল মাসুদ জানিয়েছেন, গতকাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে বন্যা কবলিতদের মাঝে। জিআর চালের বরাদ্দও পাওয়া গেছে।
এই কর্মকর্তা আরো জানান, এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমান নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি। আমরা এলাকায় আছি এবং চেষ্টা করছি যাতে সঠিক ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করা এবং বন্যার্তদের কাছে সাহায্য সঠিক ভাবে পৌঁছানো যায়।












