দেশে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ভয়াবহ আকার ধারণ করতে চলেছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের প্রধান কারণ হলো যত্রতত্র এর ব্যবহার। এর ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে খুচরা অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সমস্যা প্রতিরোধ গড় সবাই মিলে’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য খুচরা বিক্রি একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বর হলেই সাধারণ ওষুধের সঙ্গে দেখা যায় অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট ২-৩ টা নিয়ে যাচ্ছে। এটা সাধারণ মানুষের মাঝে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য বড় কারণ। এজন্য নিয়ম করা প্রয়োজন কেউ অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে ফুল ডোজ কিনতে হবে, নাহয় কিনবে না।
তিনি জানান, রোগীদের পকেটের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে যেই স্ট্যান্ডার্ড মেনে হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে তা ঠিক হচ্ছে কিনা সেটাও একটা বড় ইস্যু। আমরা যদি আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনা করি প্রধানত আমাদের অপারেশন থিয়েটার কিংবা বেড থেকে সংক্রমণ হওয়ারই কথা না, এটি আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু সেটা আমাদের এখানে হচ্ছে। আমাদের লোকজন বেশি আমাদের সুযোগ-সুবিধা কম।
খুচরা অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না: স্বাস্থ্যর মহাপরিচালক
Date:












