পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা ওমর চিমা বলেছেন, মঞ্চে ইমরান খানকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন হাফিজাবাদ পিএমএলএন নেতারা। এ সময় তিনি আরও বলেন, যদি দেশে আগাম নির্বাচন না হয়, তাহলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে। তার দাবি, পিএমএলএন ইমরান খানের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ঘৃণা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এমনকি ইমরান খানের ওপর হামলার পর দলীয় নেতাকে হুমকি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ।
ওদিকে পিটিআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেছেন, ওয়াজিরাবাদে দলীয় প্রধান ইমরান খানের জীবনের ওপর হামলার প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে সারাদেশে। এ নিয়ে যে এফআইআর করা হয়েছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। তার মন্তব্য হত্যা চেষ্টার বিরুদ্ধে এফআইআর হওয়া উচিত ভিকটিমের দাবি অনুযায়ী। কুরেশি বলেন, তাদের সব দৃষ্টি এখন ফোকাস হয়েছে এফআইআরে। বাদীর কথা না শুনেই এই এফআইআর নিবন্ধিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কোনো সুবিচার হতে পারে না।
বৃহস্পতিবার থেকে পিটিআই আবার লংমার্চ শুরু করবে বলে জানিয়েছেন ইমরানের সময়কার সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী। কুরেশি বলেছেন, শুধু আগাম জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হওয়ার পরেই পিটিআই এই লংমার্চ থেকে ফিরে যাবে।
একই সঙ্গে যেকোনো পরিস্থিতিতে পিটিআই তার লক্ষ্য অর্জন করবে।
ওদিকে পাকিস্তান আওয়ামী তেহরিকের প্রধান ড. তাহিরুল কাদরি বলেছেন, মডেল টাউন গণহত্যা মামলার ন্যায়বিচার হলে ইমরান খানকে হামলার শিকার হতে হতো না। তার কোনো বন্ধু নাকি শত্রু হামলা করেছে তা কেউই জানেন না। এ হামলায় বন্ধুরাও জড়িত থাকতে পারেন। জোর দিয়ে বলেন, এফআইআরে যার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তথ্যপ্রমাণ দিয়ে তাকেই দায়ী করা উচিত। তবে তিনি ইমরান খানকে হত্যাচেষ্টার নিন্দা জানান। বলেন, ইমরান খানকে গুলি করা হয়েছে, এ খবর শুনে আমি গভীর বেদনাবোধ করেছি। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।












