এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বৃদ্ধ সমেদ আলী গরুর জন্য ঘাস কাটতে পাহাড়ে যায়। ওই এলাকায় আগে থেকেই একটি বন্যহাতির পাল চড়ছিলো। সমেদ আলী রাতেও বাড়ি ফিরে না আসায় গ্রামবাসী তাকে খুঁজতে বের হয়ে। রাত ৯টার দিকে পাহাড়ের ঢালুতে সমেদ আলী থেতলানো মরদেহ দেখতে পায় তারা।
শরীরে আঘাতের ধরণ দেখে এলাকাবাসী নিশ্চিত হয় বন্যহাতির পালের পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে সমেদ আলী মারা গেছেন।
খবর পেয়ে বনবিভাগের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খোকা ঘটনাস্থলে যান। তারাও নিশ্চিত করেন, যে হাতির পায়ের নিচে পিষ্ট হয়েই সমেদ আলী মারা গেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খোকা বলেন, প্রতিবছরই হাতির পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে লোকজন মারা যাচ্ছে। কিন্তু তাদের রক্ষায় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তিনি পাহাড়ি এলাকার মানুষদের হাতির তাণ্ডব থেকে রক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।












