আইন সংশোধন প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্থ করতে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে তামাক কোম্পানিগুলো। এমন অভিযোগ করেছেন তামাক বিরোধীরা। তারা বলছেন, তামাক কোম্পানিগুলো এতদিন আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে যেভাবে বাধাগ্রস্ত করছিলো সেভাবেই আইন সংশোধন প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্থ করছে তামাক কোম্পানিগুলো ।
আজ সোমবার বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের সম্মিলিত উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে “তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন ও সংশোধনের বর্তমান অবস্থা ও করণীয় বিষয়ক” গণমাধ্যমের সাথে একটি মতবিনিময় সভা বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা জানান, তামাক ব্যবহার মানবদেহে সৃষ্ট বিভিন্ন মরণব্যাধি অন্যতম প্রধান কারণ। তামাকের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে। এর ব্যবহার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গ্রহণ করছে নানামুখী পরিকল্পনা ও কর্মসূচি। কিন্তু তামাক কোম্পানীগুলো সার্বিক তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে যুগোপযোগী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তামাক কোম্পানিগুলো এতদিন আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে যেভাবে বাধাগ্রস্ত করছিলো সেভাবেই আইন সংশোধন প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্থ করতে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এর চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা)’র উপদেষ্টা আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস এর কান্ট্রি ম্যানেজার নাসির উদ্দিন শেখ, প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ, প্রত্যাশা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বিল্লাল হোসেন, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমান।
সভায় আলোচকরা বলেন, তামাক কোম্পানি আইনটি প্রণয়নে পর থেকেই বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। বর্তমানে কোম্পানিগুলোর আইন সংশোধন বিষয়ে নেতিবাচক প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা।












