হঠাৎ করেই উত্তর কোরিয়া প্রথম করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথা স্বীকার করার পর শনিবার জানিয়েছে যে, দেশটিতে কারোই জ্বর হয় নি। যদিও, মে মাস থেকেই উত্তর কোরিয়ার ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষকে আগের চেয়ে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার অধীনে রাখা হচ্ছে।
ম্যানিলা টাইমস এ খবর দিয়ে জানাচ্ছেঃ উত্তর কোরিয়ার পরিসংখ্যানের নির্ভুলতার বিষয়ে দেশটির বাইরে ব্যাপক সন্দেহ রয়েছে কারণ দেশটি হতাহতের যে সংখ্যার কথা প্রকাশ করেছে তা খুবই কম এবং দেশটিতে দৈনিক জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা সম্প্রতি খুব দ্রুত হ্রাস পেয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, পিয়ংইয়ং সম্ভবত ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে তাদের নেতা কিম জং উনের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সহায়তা করার জন্য অসুস্থতা এবং মৃত্যুর ভুল সংখ্যা (বিশ্বের কাছে) উপস্থাপন করেছে।
পূর্ব এশিয়ার দেশটির রাষ্ট্রীয় জরুরি ‘অ্যান্টি-এপিডেমিক সেন্টার’ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলেছে যে, তারা গত ২৪ ঘন্টায় কোনো জ্বরের রোগী খুঁজে পায় নি। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৮ লাখ, যাদের মধ্যে প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশই সুস্থ হয়ে উঠেন। দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪-এ স্থির রয়ে গেছে, যার মানে দেশটিতে মৃত্যুর হার ০.০০১৬ শতাংশ। ঘটনা সত্য হলে এটাই বিশ্বের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যুহার।












