শেরপুর ঝিনাইগাতীর আলোচিত মিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের দাবী করেছে র্যাব ১৪। সাথে মিমকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আল আমিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করেছে। বুধবার দুপুরে শেরপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই দাবী করেছেন র্যাব ১৪ সিপিসি ১ এর অধিনায়ক।
গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন পেশায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক। তাকে ঝিনাইগাতী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের ১৪ এর অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান জানান, গত শুক্রবার মধ্যরাতে বাঁকাকুড়া গুচ্ছগ্রামের মমিন মিয়ার কিশোরী মেয়েকে ফুঁসলিয়ে ঝিনাইগাতীর কালাঘোষা নদীর তীরে নিয়ে যায় আল আমিন। সেখানে মিমকে জোরপূর্বক মিমকে ধর্ষণ করে সে। এ ঘটনা সবাইকে বলে দেয়ার কথা বললে, আল আমিন মিমের ওড়না দিয়ে শ^াসরোধ করে মিমকে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ স্থানীয় সাইদ মিয়ার পুকুরে ফেলে যায়।
এ ঘটনায় সুচতুর আল আমিন এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করে। স্থানীয় সাইদ মিয়ার সাথে তার ঝগড়া ছিলো। মিমের লাশ সাইদ মিয়ার পুকুরে ফেলে তাকে ফাঁসিয়ে দিতে চেয়েছিলো আল আমিন।
র্যাবের অধিনায়ক আশিক উজ্জামান জানান, তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে আল আমিন। এ হত্যাকাণ্ডের ছায়া তদন্ত করছিলো র্যাব।
উল্লেখ্য গত রবিবার বাঁকাকুড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় মিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মিমের বাবা মমিন মিয়া বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।












