স্টাফ রিপোর্টার: “অর্থ নয় সেবাই আমার মূল লক্ষ্য, পুলিশই জনতাই পুলিশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে শেরপুরের নকলা উপজেলাকে বিভিন্ন ভাবে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এবং আইন শৃংঙ্খলা উন্নয়নের দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করছেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুশফিকুর রহমান। তিনি অত্যন্ত দক্ষতা, ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন সফল সাবেক কৃষি মন্ত্রী বাংলার অগ্নিকন্যা বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি (বর্তমানে কৃষি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি) নির্বাচনী এলাকা ময়মনসিংহের কোতয়ালী থানায় দায়িত্ব পালনের পর ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগদানের পর পরই পুরো উপজেলার আইন-শৃঙ্খলার সার্বিক উন্নয়নের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ওসি হিসেবে নকলায় গত বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) তার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এই এক বছরে নকলায় আমুল পরিবর্তন এনেছেন তিনি।
বর্তমানে শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. হাসান নাহিদ চৌধুরীর দিক নির্দেশনায় ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. হান্নান মিয়া’র পরামর্শে এক সময়ের অপরাধ জোন হিসেবে পরিচিত নকলা থেকে সকল প্রকার অপরাধ নির্মূলের জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার জন্য তিনি গ্রহণ করেছেন নানা ধরনের প্রসংশনীয় উদ্যেগ। ফলে নকলা পূর্বের তুলনায় অনেকাংশে কমে গেছে অপরাধ মূলক নানান কর্মকান্ড। তিনি এ থানায় যোগদানের পর বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত রেকর্ড সংখ্যক আসামীকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছেন।
ওসি মো. মুশফিকুর রহমান নকলা থানায় যোগদান করার পর দালাল ছাড়াই সরাসরি ভোক্তভোগীরা অভিযোগ দিতে পারে, কারো মাধ্যম ছাড়াই সমস্যার কথা বলতে পারে এবং জিডি করতে কোন বাড়তি সম্মানী প্রদান করতে হয়না ডিউটি অফিসারকে। তিনি যোগ্য পুলিশ অফিসারের পরিচয় দিয়েছেন নকলাবাসী আজীবন মনে রাখবে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কিছুদিন আগেও মদ, গাজাঁ, হেরোইন সেবনকারীদের বিচরন লক্ষ্য করা গেলেও থানা পুলিশের সাড়াশী অভিযানের কারণে সে সব সেবনকারীরা গ্রেফতারের ভয়ে অনেকটা ভাল হওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশের সাড়াশী অভিযানের ফলে রেকর্ড সংখক জুয়ারী গ্রেফতার হয়েছে।
দীর্ঘদিন পরে হলেও পুলিশ সুপার ও সদর সার্কেলের উপস্থিতিতে এই ওসি নেতৃত্বে স্থানী জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে উপজেলার আইন- শৃংলাকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিট পুলিশিং কার্যক্রম। তার বিচক্ষন কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নকলা থেকে মাদক নির্মূলে শতভাগ সফল হওয়ার পথে বলেও মনে করেন তিনি। তার প্রশাসনিক দক্ষতার কারনে নিরীহ ও নিরপরাধ লোকদের আইনগত হয়রানীও কমে গেছে অনেকাংশে। জটিল কোন মামলা ছাড়া বেশীর ভাগ আনিত অভিযোগের রিপোর্ট তিনি কোর্টে না পাঠিয়ে থানাতেই তিনি তার অফিসারদের দ্বারা মিমাংশা করিয়ে দেন। বিশেষ করে জমি সংক্রান্ত অভিযোগ তিনি নিজেই অত্যন্ত বিচক্ষনতার সাথে থানায় বসে গ্রামের মাতাব্বর ও সুশিল সমাজের লোকজনদের নিয়ে মিমাংসা করেন এবং উল্লেখ করার মতন ১০/১৫ বছরের পুরুনো জমি সংক্রান্ত জটিল মামলাগুলো মিমাংসা করেছেন ওসি মো. মুশফিকুর রহমান।
২টি ধর্মীয় বড় উৎসব পূজা ও কোরবানীর ঈদে আইনশৃংঙ্খলার কোন অবগতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছিলেন ওসি মুশফিকুর রহমান। সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়েছে দুটো বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। প্রত্যেকটি কাজ অত্যন্ত বিচক্ষনতার সাথে নিরলস ভাবে করে যাচ্ছেন নকলা উপজেলাবাসীদের জন্য।
এলাকার সুশীল সমাজ মনে করেন, অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া শেরপুরের নকলা থানাকে অপরাধ মুক্ত রাখতে ওসি মো. মুশফিকুর রহমানের মতো দক্ষ, যোগ্য ও কর্মঠ পুলিশ অফিসার সকল সমযয়ের জন্য প্রয়োজন।












