শেরপুরের নয়ানী জমিদার বাড়ির জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছিলো জেলা প্রশাসকের অফিস। জমিদার প্রথা যখন ছিলো তখন শেরপুরের নয়ানী জমিদার তার নিজ বাড়ির নিরাপত্তার জন্য চারিদিক জুড়ে গভীর পরিখা খনন করেন যা কালক্রমে এখন পরিচিত হয়েছে ডিসি লেক হিসেবে। আড়াইশত বছর পর সেই লেকের খনন কাজ শুরু হয়েছে মঙ্গলবার দুপুর থেকে।
শেরপুরের বর্তমান জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। মূলত পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পের আওতায় খনন করা হচ্ছে এই ডিসি লেক। খনন কাজে ব্যয় হবে ৪৩ লক্ষ টাকা।
এদিকে জেলা প্রশাসন ডিসি লেকটিকে আকর্ষণীয় করতে দৃষ্টিনন্দন একটি ব্রিজ, লেকের পাড় ঘিরে হাঁটার রাস্তা এবং লেকের মাঝের জায়গায় মুক্তমঞ্চ ও কৃত্রিম ঝর্ণা িৈতর করেছে।
উল্লেখ্য পুরাতত্ত্ব হিসেবে সংরক্ষণ করার মতন পুরাকীর্তি ছিলো এই নয়ানী জমিদার বাড়ি। এর নাটমহল, রানী মহল, শে^তপাথরে নির্মিত মন্দির ছিলো স্থাপত্যশিল্পের অনন্য নিদর্শন। কিন্ত এই পুরাকীর্তি সংরক্ষণ না করে ভেঙে ফেলে এর জায়গায় নির্মাণ করা হয় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। নয়ানী জমিদার বাড়ির নিদর্শন হিসেবে এখন শুধু জমিদার বাড়ি ঘিরে নিরাপত্তার জন্য তৈরি করা পরিখা এবং ঢোকার সিংহদ্বারটিই অবশিষ্ট রয়েছে।












