সহসাই মুক্তি পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নথি পাঠানো হচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। এরপর এ নথি যাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। তিনি অনুমোদন দিলেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মুক্তি সংক্রান্ত নির্দেশনা কারাগারে পাঠাবে। পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করা হচ্ছিল দীর্ঘ দিন থেকে। তবে সরকারের তরফে বলা হচ্ছিল এটি আদালতের বিষয়। আইনী প্রক্রিয়াই তিনি মুক্ত হবেন।

দুপুরের সংবাদ সম্মেলনে আনিসুল হক বলেন, তার (খালেদা জিয়া) সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত রেখে তাকে ঢাকাস্থ নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করার শর্তে এবং ওই সময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না- এই শর্তে তাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আমি মতামত দিয়েছি। সেই মতামত এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে গেছে। তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হবে কিনা এ বিষয়ে তিনি বলেন, আগে ৬ মাস যাক, তারপর দেখা যাবে। তিনি বলেন, এখানে কিন্তু বলা হচ্ছে না তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারবেন না। সেটা তার অবস্থার ওপর নির্ভর করবে। তবে শর্ত হচ্ছে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

আইনমন্ত্রী আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এই সুপারিশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হচ্ছে আইনি প্রক্রিয়ায় দুই শর্তে দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। সরকার মানবিক কারণে সদয় হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা (উপধারা-১) অনুযায়ী এটা আইনি প্রক্রিয়ায় করা হয়েছে।