শ্রীবরদীতে ধর্ষনের ঘটনায় মামলা

শেরপুরের শ্রীবরদীতে তালাকপ্রাপ্তা এক নারী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল ধর্ষিতা ওই নারী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতা ওই নারী পার্শ্ববর্তী জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার ফুলকারচর উত্তরপাড়া গ্রামের মেয়ে। ওই নারীর বিয়ে হয় শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়নের তিনানীপাড়া গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে শফিকের সাথে। গত প্রায় ৬/৭ মাস আগে পারিবারিক কলহের জের ধরে তালাকপ্রাপ্ত হয় ওই নারী। গত ২৫ এপ্রিল ওই নারী ঝগড়ারচর বাজারে এক দোকানে যায়। এ সময় তার সাথে কথা হয় ওই নারীর পূর্বপরিচিত পার্শ্ববর্তী কাউনেরচর গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে আসাদুল্লাহ ওরফে আসাদুলের। এর পরই ঘটে ওই নারী ধর্ষণের ঘটনা। ওই নারীর মা জানায়, ঝগড়ারচর বাজারের গরুহাটের পাশে জসিম মিয়া তার পরিত্যক্ত বাসায় নিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করে।
এই ঘটনার আগে ও পরে ওই ওই নারীর সাথে আসাদুলের মোবাইল ফোনে অনেকবার যোগাযোগ হয়। ওই মোবাইল ফোনের ফোনালাপের অডিও রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ঝগড়ারচর বাজারে সচেতন মহলে সন্দেহের দানা বেঁধে ওঠেছে। সচেতন মানুষের ধারনা ওই ঘটনায় আসাদুলও জড়িত থাকতে পারে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসাদুলের যোগ সাজসে ওই নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করে। এ মামলার আসামীরা হলো, বলদিয়াপাড়া গ্রামের নাদের কেরানির ছেলে জসিম মিয়া ও কাউনেরচর তিনানীপাড়া গ্রামের জিন্নাহ’র ছেলে রিপন মিয়া।
এ ঘটনার আগে ওই নারীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের কথা অস্বীকার করে আসাদুল এ প্রতিনিধিকে বলেন, ঘটনার পর ওই নারী আমাকে ফোন করে ঘটনাটি জানায়। তবে জসিম এ ঘটনা আপোষ করার জন্য তাকে ১৩ হাজার টাকা দিয়েছে বলেও উল্লেখ করে।
এ মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটির তদন্ত ও আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তদন্তে যদি আরো কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাদেরকেও আসামি করা হবে।