পল্লবী বিস্ফোরণে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি

পল্লবী থানায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। এটা ‘স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার সংশ্লিষ্ট একটি ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটিস (অপরাধ কর্মকাণ্ড)।’ আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি’র) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন এসব কথা বলেন। থানায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গতকালই তিনজনকে আটক করে পুলিশ। তাদের বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আবদুল বাতেন বলেন, এ ঘটনায় পল্লবী থানায় দু’টি মামলা হয়েছে। যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে আমরা যা পাচ্ছি এটা ‘স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার সংশ্লিষ্ট একটি ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটিস (অপরাধ কর্মকাণ্ড)’। জঙ্গির কোনো সংশ্লিষ্টতা আমরা এখনো পাইনি।

তারা কেন কাকে কীভাবে হত্যা করার জন্য পরিকল্পনা করেছিল সে বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর বেশি কিছু পেলে আমরা পরবর্তীতে জানাবো।

‘পল্লবী থেকে গ্রেপ্তার তিন জনের একজন শহীদুল, তাকে ৩ দিন আগে একটি মাইক্রোতে তুলে নেয়া হয়েছিল বলে দাবি করছে তার পরিবার। এ বিষয়ে থানায় জিডি আছে। তারপরও তাকে কীভাবে আগের রাতে গ্রেপ্তার করা হলো?’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বাতেন বলেন, আপনার বক্তব্য আমরা তদন্ত করে দেখবো। আমরা এ ধরনোর কোনো তথ্য পাইনি। আমরা তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছি। যে বস্তুটি উদ্ধার করেছি (বোমা) সেটা আপনারা দেখেছেন। এর বাইরে যদি কোনো বিষয় থাকে সেটা আমরা তদন্ত করে দেখবো।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল বাতেন বলেন, এখন যদি আপনি সব প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে দেয়া যাবে না। আবার অনেক কিছু আছে যা তদন্তের স্বার্থে আপনাকে বলাও যাবে না। আপনাকে বিস্তারিত সবকিছু খুলে বলার মতো আমার কাছে তথ্য নাই।

উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পল্লবী থানায় বুধবারের (২৯ জুলাই) বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। অনলাইনে জঙ্গি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন সাইট ইনটেলিজেন্স গ্রুপ পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের দায় আইএস স্বীকার করেছে বলে রাতে তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে। সাইট ইনটেলিজেন্স গ্রুপের পরিচালক রিটা কাটজ এক টুইট বার্তায় বলেছেন, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় পুলিশের একটি দপ্তরে হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস।