নালিতাবাড়ীর কৃষক ইদ্রিস হত্যার প্রধান আসামী চেয়ারম্যান হাবিবুর গ্রেপ্তার

শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়তে হলো শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কৃষক ইদ্রিস আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামী ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানকে। বৃহস্পতিবার রাতে সিলেটের গোয়াইনঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে শেরপুর পুলিশের একটি দল।

গত ২৫ এপ্রিল নালিতাবাড়ী উপজেলার যোগানিয়া ইউনিয়নের কুত্তামারা গ্রামে ধানকাটা নিয়ে সংঘর্ষে গুলিব্ধি হয়ে নিহত হন কৃষক ইদ্রিস আলী। অভিযোগ রয়েছে, যোগানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পূর্ব শত্রুতার কারণে জমির ধানকাটা নিয়ে প্রতিপক্ষ সোহরাব আলীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান হাবিবুর লোকজন নিয়ে সোহরার আলীর লোকজনের উপর হামলা চালান। এ সময় গুলিতে সোহরবার আলীর চাচাতো ভাই ইদ্রিস আলী নিহত হন।

ওই রাতেই নিহত ইদ্রিস আলীর বাবা ফজলুর রহমান বাদী হয়ে চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এদিকে শেরপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আশরাফুল আজীমের নির্দেশে পুলিশ দুটি দলে ভাগ হয়ে আসামী গ্রেপ্তারে তৎপর হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে সিলেটের গোয়াইনঘাট হতে গ্রেপ্তার হন ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান। এছাড়াও মামলার আরেক আসামী চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের ছোট ছেলে শান্তকে গ্রেপ্তারে মুন্সিগঞ্জের টুঙ্গিবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু সেখানে গ্রেপ্তার এড়িয়ে যেতে সক্ষম হন শান্ত। অপরদিকে চেয়ারম্যানের বড় ছেলে রিয়াদ হোসেনকে গত ২৭ এপ্রিল পুলিশ গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, বৃহস্পতিবার রাতে চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে নালিতাবাড়ী থানায় আনা হচ্ছে।

এর আগে পুলিশ এই মামলার আরো ৮ আসামীকে গ্রেপ্তার করে। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।