চলে গেলেন শেরপুরের পথিকৃত নারী নেত্রী ও সমাজ সেবিকা জাহানারা রেজ্জাক

 

না ফেরার দেশে চলে গেলেন শেরপুরের পথিকৃত নারী নেত্রী ও সমাজ সেবিকা খন্দকার জাহানারা রেজ্জাক। শনিবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে তিন শেরপুরের রঘুনাথ বাজারস্থ নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

খন্দকার জাহানারা রেজ্জাক শেরপুর জেলার প্রথম সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক শেরপুর’ এর সম্পাদক মরহুম আব্দুর রেজ্জাকের স্ত্রী এবং সাংবাদিক কলাম লেখক কাকন রেজার মা এবং আততায়ীর হাতে নিহত সাংবাদিক ইহসান ইবনে রেজা ফাগুনের দাদী। তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল হামিদের ছোট বোন।

দীর্ঘদিন ধরেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। তিনি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ জটিলতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার রাতে তার শারীরিক অবস্থায় হঠাতই খারাপ হয়ে পড়ে। শনিবার সকালে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র পুত্র, পুত্রবধু ও নাতিসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

খন্দকার জাহানারা রেজ্জাক ছিলেন বর্ণাঢ্যময় জীবনের অধিকারীনি। একাধারে তিনি রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবিকা হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি শেরপুর পৌরসভার প্রথম মহিলা কাউন্সিলর ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা চেয়ারম্যান হিসাবে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী হিসাবেও শেরপুর জেলার দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রার্থী হিসাবে পৌর নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

মরহুমার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় মাওলানা ভাসানীর হাত ধরে ন্যাপের রাজনীতির মাধ্যমে। পরে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জেলার নেতৃত্বের হাল ধরেন। তিনি পৌরসভার কাউন্সিলর ও মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক-সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন