আর.ও.আর, বি.আর.এস মালিকানা পযার্লোচনা করে এবং উভয় পক্ষের শুনানির পর গত ৫/১/২০২১ইং তারিখে উক্ত নালিশী ভুমির উপর চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেন।

এই নিষেধাজ্ঞার জারীর আদেশ বিবাদী হযরত আলী না মানার কারনে ঝিনাইগাতী থানার ওসি মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমানের নিদের্শে এএসআই আতিকুর রহমান একাধিকবার বিবাদী হযরতকে বুঝালেও হযরত তা মানতে রাজি নয়। বিবাদী হযরত আদালত, থানা পুলিশ কাউকে মানছেন না। এ ব্যাপারে বিবাদী হযরত আলী বলেন, আদালতের রায়ে যাহাই আসুক না কেন, সেটা আমি বুঝিনা। শাহাজ উদ্দিন ফকির যে আমার ভাই ফজল হকের কাছে রেজি:মুলে জমি ক্রয় করেছেন, তার দলিল দেখাতে পারলে আমি উক্ত জমি ও জমিতে থাকা গাছপালা ছেড়ে দিবো, নচেৎ আমি এই জমিতে কাউকে প্রবেশ করতে দিবোনা। এমনকি আমি আদালতও মানিনা।এ ব্যাপারে ক্রয়কৃত জমির মালিক শাহাজ উদ্দিন ফকির বলেন, আমি অত্যন্ত গরীর ও দিনভিখারী। প্রতিদিন সন্ধ্যায় উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে মানুষের দোকানে দেকানে আগর বাতির ধূঁয়া জ্বালিয়ে এতে দোকানের মালিকেরা যা দেয়, তাই দিয়ে চলে আমার সংসার। আমার কষ্টের টাকা দিয়ে কেনা এই জমিটা আমাকে দখল নিতে এমনকি ওই জমিতে থাকা গাছগুলো কাটতে বারবার হযরত আমাকে বাধা প্রদান করে ৪০/৫০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধিত করেছে । আমার কোন থাকার ঘর পর্যন্ত নেই আমাকে একা ও র্দুবল পেয়ে মারধরও করেছে। আমি নিরুপায় হয়েই আদালতে মোকদ্দমা করি। আদালত আমার ক্রয়কৃত জমির সকল নথিপত্র দেখেই আমার পক্ষে এ রায় দিয়েছেন। ঝিনাইগাতী থানার এএসআই আতিকুর রহমান বলেন, আমি এ বিষয়ে একাধিকবার সরেজমিনে গিয়ে বিবাদী হযরতকে বুঝিয়েছি, মহামান্য আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার জন্য। এর পরেও সে তা না মানলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

 

SHARE