অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে ধর্ষণ, তোলপাড়

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের ভিতরে বা বাইরে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় চলছে। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের লিবারেল পার্টির একজন নারীকর্মী এমন অভিযোগ এনেছিলেন। কিন্তু গত সপ্তাহে এমন অভিযোগ করেন আরো এক নারী। ওই দুই নারী কর্মীকে একই ব্যক্তি ২০১৯ এবং ২০২০ সালে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে তখন দ্য অস্ট্রেলিয়ান পত্রিকা তৃতীয় আরেকটি ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ করেছে। ফলে সরকার রয়েছে প্রচ- চাপে। এর ফলে স্কট মরিসনের সরকার এসব বিষয়ে দ্রুত এবং নিরপেক্ষ তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে। পার্লামেন্টের ওয়ার্কপ্লেসে এই সংস্কৃতির বিষয়ে তদন্ত করতে এরই মধ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার সরকার বলেছে, দ্রুতই এর ফল প্রকাশ করা হবে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এতে আরো বলা হয়েছে, প্রথমে পার্লামেন্টে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন ব্রিটানি হিগিনস। গত সপ্তাহে তিনি প্রকাশ্যে অভিযোগ এনে বলেছিলেন পুলিশে অভিযোগ দেবেন। এরপর আরো একজন নারী একই অভিযোগ করেন। তবে তারা কেউ পুলিশে অভিযোগ জমা দিয়েছেন কিনা তা পরিষ্কার হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আভ্যন্তরীণ তদন্তের নেতৃত্বে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী সিমন বারমিংহ্যাম। তিনি বলেছেন, তিনি যে তদন্ত করছেন তার ফল হবে নিরপেক্ষ এবং তা আগামী সপ্তাহে প্রকাশ করা হবে। এক্ষেত্রে তিনি অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (এবিসি) রেডিওকে বলেছেন, আমি তদন্তে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা চাই। আমি চাই মানুষের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আস্থা ফেরাতে যাতে তারা মনে করেন, এটা প্রকৃতপক্ষেই একটি নিরপেক্ষ তদন্ত রিপোর্ট। এই তদন্ত আমি সপ্তাহের পর সপ্তাহ টেনে নিয়ে যাবো না।

প্রথম দু’জন নারীর অভিযোগের ফলে স্কট মরিসন সরকার যখন প্রচ- চাপে রয়েছে তখন দ্য অস্ট্রেলিয়ান পত্রিকা সোমবার তৃতীয় আরেক নারীর অভিযোগ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেছেন, স্কট মরিসনের লিবারেল পার্টির সাবেক এক কর্মী তাকে ধর্ষণ করেছে ২০১৬ সালের ২৯ শে জুন রাতে এবং ৩০ শে জুন সকালে। নিজের পরিচয় প্রকাশ না করে তিনি বলেছেন, এ ঘটনা ঘটেছে পার্লামেন্টের বাইরে।

SHARE