অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ৩টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দী হাজার পরিবার

কদিনের প্রবল বর্ষণ ও ভারতীয় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে ৩টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। এই ৩টি উপজেলা হচ্ছে ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও নকলা।

এসব উপজেলার প্লাবিত এলাকাগুলোর রাস্তাঘাট, রোপা আমন বীজতলা, সব্জি বাগান এবং কাঁচা ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও অসংখ্য পুকুরের মাছ ভেসে গিয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলার ঝিনাইগাতী সদর, ধানশাইল, মালিঝিকান্দা ও হাতিবান্ধা এই ৪টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় হাজার পাঁচেক পরিবার রয়েছে এখন পর্যন্ত পানিবন্দী অবস্থায়। মূলত ভারতের উজান থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে স্থানীয় সোমেশ^রী নদীর বাঁধ ভেঙে এসব এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীতে পানি বেড়ে যাওয়া এবং পাহাড়ি ঢলে বিস্তির্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মরিচপুরান এলাকায় ভোগাই নদীর প্রায় ৭শ ফুট বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে জেলার নকলা উপজেলার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ ও নদের শাখা মৃগি নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে প্রবল ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন থেকে জান-মাল বাঁচাতে অনেকেই অন্য জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন এবং বাড়ি-ঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। গণপদ্দী, নকলা, উরফা, বানেশ্বরদী, অষ্টধর, পাঠাকাটা ও গৌড়দ্বার ইউনিয়নে অনেক ফসলী জমি, রাস্তাঘাট, ধানের বীজতলা ও সবজি পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার বিপুল সংখ্যক পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ডিডি এলজি) এটিএম জিয়াউল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে। যেখানে যেমন প্রয়োজন সে অনুযায়ীই কাজ করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

SHARE